ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৮নং ওয়ার্ড শিয়ালউড়ী বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী প্রস্তুতী ও পরামর্শ সভার আয়োজন গোপশহর প্রবাসী ট্রাস্ট ইউকে’র প্রথম মত বিনিময় সভা ও নৈশভোজ। যাত্রী আন্দোলনের মুখে সিলেট থেকে ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেসে সিলেট থেকে হরষপুর পর্যন্ত আন্দোলন করলেও মৌলভীবাজার লাভবান হবিগঞ্জ-৪ আসনে মনোনয়ন পেলেন সৈয়দ মো. ফয়সল মাধবপুরে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি-চুরির মামলা চাঞ্চল্যকর জিয়া হত্যা: দীর্ঘ এক বছর পর আপন ভাই বাবুল গ্রেফতার, পরিবারের দিকেই সন্দেহের তীর গোপশহর প্রবাসী ট্রাস্ট ইউকে’র দ্বীবার্ষিক সম্মেলন ও নতুন কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত রেলের টিকেট ঘরে বসে বুকিং আর নয়, স্টেশনে গেলেই “দৈত্যের” হাতে মিলবে রেলের টিকিট! আমিরাতে লটারি জিতে একসঙ্গে ভাগ্য খুলে গেল দুই বাংলাদেশির মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম

নুরুল হুদা আ.লীগ-বিএনপির সুপারিশে ছিলেন না


ডেস্ক নিউজ :দেশের পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (‍সিইসি) হয়েছেন সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা। কিন্তু তাঁর নাম ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সুপারিশে ছিল না।

সিইসি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে মাহবুব তালুকদারের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। আর সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম সিইসি হিসেবে সুপারিশ করেছিল আওয়ামী লীগ।

আজ সোমবার রাতে সচিবালয়ে এক সংবাদ বিফ্রিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম রাষ্ট্রপতি গঠিত অনুসন্ধান কমিটির প্রস্তাবিত ১০ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করে এ তথ্য জানান।

কে এম নুরুল হুদা ছাড়া অন্য চার কমিশনার হলেন সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী। মন্ত্রিপরিষদ সচিব তাঁদের নাম উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সিইসি ও ইসি সদস্যদের মনোনয়ন দিয়েছেন। রাতেই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। সিইসি হিসেবে যাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে, বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সুপারিশে তাঁর নাম ছিল না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সিইসি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে মাহবুব তালুকদারের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। আর সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম সিইসি হিসেবে সুপারিশ করেছিল আওয়ামী লীগ।

এর আগে সন্ধ্যায় অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা অবস্থানের পর তাঁরা বঙ্গভবন ছেড়ে যান। ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে রাজনৈতিক দল থেকে নেওয়া নাম থেকে ১০টি নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি। সুপারিশে সিইসি হিসেবে সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা ও আলী ইমাম মজুমদারের নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি।

এ ছাড়া কমিশনার হিসেবে মাহবুব তালুকদার, জারিনা রহমান খান, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর নাম সুপারিশ করা হয়।
তাঁদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি পরবর্তী সিইসি ও ইসির সদস্য বেছে নেন।

বিকেল চারটার দিকে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে অনুসন্ধান কমিটির প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সর্বশেষ বৈঠক হয়। দুই ঘণ্টা বৈঠকের পর কমিটির সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে যান।

গত ২৫ জানুয়ারি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের পর ছয়টি বৈঠক হয়েছে। এর মধ্যে দুই দিন বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। আর রাজনৈতিক দল থেকে নাম পাওয়ার পর অনুসন্ধান কমিটি দুটি বৈঠক করে। বিশিষ্ট নাগরিকেরা দলনিরপেক্ষ, সাহসী, দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করার সুপারিশ করেছেন। তাঁদের মত হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) হতে হবে বিতর্কের ঊর্ধ্বে, মেরুদণ্ড হতে হবে সোজা। যাতে চাপ কিংবা হুমকির মুখেও প্রভাবমুক্ত হয়ে তাঁরা কাজ করতে পারেন।

ইসি গঠনে ২৫ জানুয়ারি বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান করে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। কমিটিকে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নারীসহ ১০ জনের নামের তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ও অন্য তিন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কমিশনার শাহনেওয়াজের মেয়াদ শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্রথম আলো

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৮নং ওয়ার্ড শিয়ালউড়ী বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী প্রস্তুতী ও পরামর্শ সভার আয়োজন

নুরুল হুদা আ.লীগ-বিএনপির সুপারিশে ছিলেন না

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


ডেস্ক নিউজ :দেশের পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (‍সিইসি) হয়েছেন সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা। কিন্তু তাঁর নাম ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সুপারিশে ছিল না।

সিইসি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে মাহবুব তালুকদারের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। আর সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম সিইসি হিসেবে সুপারিশ করেছিল আওয়ামী লীগ।

আজ সোমবার রাতে সচিবালয়ে এক সংবাদ বিফ্রিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম রাষ্ট্রপতি গঠিত অনুসন্ধান কমিটির প্রস্তাবিত ১০ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করে এ তথ্য জানান।

কে এম নুরুল হুদা ছাড়া অন্য চার কমিশনার হলেন সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী। মন্ত্রিপরিষদ সচিব তাঁদের নাম উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সিইসি ও ইসি সদস্যদের মনোনয়ন দিয়েছেন। রাতেই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। সিইসি হিসেবে যাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে, বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সুপারিশে তাঁর নাম ছিল না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সিইসি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে মাহবুব তালুকদারের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। আর সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম সিইসি হিসেবে সুপারিশ করেছিল আওয়ামী লীগ।

এর আগে সন্ধ্যায় অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা অবস্থানের পর তাঁরা বঙ্গভবন ছেড়ে যান। ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে রাজনৈতিক দল থেকে নেওয়া নাম থেকে ১০টি নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি। সুপারিশে সিইসি হিসেবে সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা ও আলী ইমাম মজুমদারের নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি।

এ ছাড়া কমিশনার হিসেবে মাহবুব তালুকদার, জারিনা রহমান খান, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর নাম সুপারিশ করা হয়।
তাঁদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি পরবর্তী সিইসি ও ইসির সদস্য বেছে নেন।

বিকেল চারটার দিকে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে অনুসন্ধান কমিটির প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সর্বশেষ বৈঠক হয়। দুই ঘণ্টা বৈঠকের পর কমিটির সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে যান।

গত ২৫ জানুয়ারি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের পর ছয়টি বৈঠক হয়েছে। এর মধ্যে দুই দিন বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। আর রাজনৈতিক দল থেকে নাম পাওয়ার পর অনুসন্ধান কমিটি দুটি বৈঠক করে। বিশিষ্ট নাগরিকেরা দলনিরপেক্ষ, সাহসী, দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করার সুপারিশ করেছেন। তাঁদের মত হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) হতে হবে বিতর্কের ঊর্ধ্বে, মেরুদণ্ড হতে হবে সোজা। যাতে চাপ কিংবা হুমকির মুখেও প্রভাবমুক্ত হয়ে তাঁরা কাজ করতে পারেন।

ইসি গঠনে ২৫ জানুয়ারি বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান করে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। কমিটিকে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নারীসহ ১০ জনের নামের তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ও অন্য তিন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কমিশনার শাহনেওয়াজের মেয়াদ শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্রথম আলো